ইমরান হাশমি কে পর্দায় দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকে তাঁর অনুরাগীরা। সুপর্ণ বর্মার কোর্টরুম ড্রামা হক এ দেখা গিয়েছিল তাঁকে, যেখানে তাঁর সহ অভিনেত্রী ছিলেন ইয়ামি গৌতম। ছবিটি তৈরি হয়েছিল ১৯৮৫ সালের ঐতিহাসিক শাহ বানো মামলার প্রেক্ষাপটে। সেখানেও দর্শকদের মনে সাড়ে ফেলেছিল ইমরানের অভিনয়। তবে এবার কি মাদক পাচারকারী ইমরান হাশমি নিজেই ? বিমানবন্দরে চেকিং এর সময় কোন ভয় কাজ করে তার মধ্যে ?
বুধবার অর্থাৎ ৮ জানুয়ারি ট্রেলার লঞ্চ হয়েছে নীরজ পান্ডের আসন্ন ওয়েব সিরিজ “তস্করী: দ্য স্মাগলার্স ওয়েব”। এই সিরিজে চোরাচালান চক্রের জটিল জাল এবং শুল্ক দপ্তরের আধিকারিকদের জীবন তুলে ধরা হয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে দেখা যাবে এই সিরিজ।শোনা যাচ্ছে , ইমরান হাশমি এবার শিকারি নয় বরং চোরাচালান দমনের কারিগর হিসেবে ধরা দেবেন এই ওয়েব সিরিজে। তাঁকে দেখা যাবে একজন কাস্টমস অফিসার হিসেবে। ট্রেলার লঞ্চের দিন বাস্তব জীবনের কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অভিনেতা। সেখানেই তিনি জানান “ইমিগ্রেশন প্রোফাইলিং” নিয়ে। গ্রিন চ্যানেল দিয়ে পার হওয়ার সময় কখনো আটক হয়েছেন কিনা জিজ্ঞেস করতেই তিনি জানান, শুল্ক আধিকারিকরা তার সঙ্গে সৌজন্যমূলক ব্যবহার করেন বরাবরই। তবে তা সত্ত্বেও এক অদ্ভুত ভয় কাজ করে অভিনেতার মধ্যে। ইমরান বলেন “ভয়টা মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। ঠিক যেমন গাড়ি চালাতে জানলেও রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ দেখলে বুক ঢিপঢিপ করে, এয়ারপোর্টেও আমার ঠিক তেমনটাই হয়। একা ভ্রমণের সময় ব্যাগে হয়তো শুধু জামা কাপড় আছে, কিন্তু গ্রীন চ্যানেল দিয়ে হাঁটার সময় মনে হয় ব্যাগে যেন ১০০ কেজি বেআইনি মাদক রয়েছে!” এছাড়াও তিনি জানান কেরিয়ারের শুরুর দিকে তাঁকে বরাবরই ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে থামানো হতো। তাঁর কথায় “সে সময় কানে দুল বা আমার সাজগোজ দেখে হয়তো অফিসারদের সন্দেহ হতো। আমাকে প্রায়ই সাইডে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতো। এটাকে বলে প্রোফাইলিং। হয়তো কোন এক অপরাধীর হুবহু চেহারার সঙ্গে আমার মিল ছিল। যদিও সেই ব্যক্তি কে তা আমি আজও জানিনা।”
Tollyworld। Edited by: Priti Karmakar
Jan 09, 2026









